ফর্সা হওয়ার উপায় – ফর্সা হওয়ার সহজ উপায়

ফর্সা হওয়ার উপায় – ফর্সা হওয়ার সহজ উপায় – মুখ আমাদের ব্যক্তিত্বের একটি আয়না।সুতরাং ত্বকের উজ্জ্বলতা এবং সৌন্দর্য প্রতিটি মানুষের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।নারী কিংবা পুরুষ সবাই তার মুখের সৌন্দর্য বাড়াতে বিভিন্ন উপায় ব্যবহার করে থাকেআজকাল ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ানোর জন্য বাজারে বিভিন্ন ধরণের কসমেটিক এবং বিউটি পণ্য বিক্রি শুরু হয়েছে।

Table of Contents

ফর্সা হওয়ার উপায় – ফর্সা হওয়ার সহজ উপায়

কিন্তু এই কৃত্রিম প্রসাধনীগুলিতে নানা রকমের রাসায়নিক উপাদান ব্যবহৃত হয় যা ত্বকের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া তৈরি করতে পারে।অতএব আজকে আমরা কিছু ত্বক উজ্জ্বল রাখার উপায় সম্পর্কে বলতে যাচ্ছি যা মুখের ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায় এবং সম্পূর্ণ নিরাপদ।

নিস্তেজ ত্বকের সাধারণ কারণ

প্রথমত,আপনার ত্বককে প্রাণহীন ও বিবর্ণ করে তোলে এমন জিনিসগুলি কী তা আপনার পক্ষে জেনে রাখা খুবি গুরুত্বপূর্ণ।

যেসব কারনে আপনার ত্বকের উজ্জ্বলতা নষ্ট হয়ঃ

১ – স্ট্রেস
২ – পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমা না হওয়া
৩ – ওষুধের ওভারডোজ
৪ – দূষণ
৫ – সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মি
৬ – আবহাওয়ার পরিবর্তন
৭ – সৌন্দর্য পণ্যগুলির অতিরিক্ত ব্যবহার
৮ – গরম জল ব্যবহার

মুখের সৌন্দর্য এবং উজ্জ্বলতা বাড়ানোর জন্য উপরে বর্ণিত বিষয়গুলি থেকে নিজেকে দূরে রাখা খুবি গুরুত্বপূর্ণ।

ফর্সা ও উজ্জ্বল ত্বক পাওয়ার প্রাকৃতিক উপায় – ত্বক উজ্জ্বল করার ঘরোয়া উপায়

আমরা নীচে কয়েকটি সহজ ও নিরাপদ ঘরোয়া উপায় (উজ্জ্বল ত্বকের ঘরোয়া পরামর্শ) নীচে ব্যাখ্যা করতে যাচ্ছি যা আপনাকে মুখের সৌন্দর্য বাড়িয়ে তুলতে সহায়তা করতে পারে: –

প্রতিদিন নিত্য নতুন বিউটি টিপস পেতে ভিজিট করুনঃ বিউটি টিপস

১. জলপাই তেল

উপাদানঃ

  • এক চামচ জলপাই তেল
  • একটি পরিষ্কার ছোট তোয়ালে
  • ঠাণ্ডা পানি

ব্যবহারের পদ্ধতি

আপনার হাতের তালুতে কয়েক ফোঁটা জলপাইয়ের তেল লাগান এবং এটি পুরো মুখে হালকাভাবে লাগান।এর পরে তোয়ালে ঠাণ্ডা জলে ভিজিয়ে নিন এবং এটি দিয়ে আপনার মুখ ভালোভাবে মুছে ফেলুন।রাতে ঘুমানোর আগে এই পদ্ধতিটা ব্যবহার করে দেখুন।

এটি কীভাবে সাহায্য করে?

জলপাই তেল আমাদের ত্বকে একটি ভাল ময়েশ্চারাইজার হিসাবে কাজ করে। এতে রয়েছে ফ্ল্যাভোনয়েডস এবং পলিফেনলগুলির মতো উপাদান।যে উপাদানগুলি আমাদের ত্বকের মৃত কোষকে পুনরুজ্জীবিত করে।

২. অ্যালোভেরা

উপাদান

  • এক চা চামচ অ্যালোভেরা জেল
  • এক চিমটি হলুদ
  • এক চামচ মধু
  • এক চামচ দুধ

ব্যবহারের পদ্ধতি

অ্যালোভেরা জেল, হলুদ, মধু এবং দুধ মিশিয়ে একটি পেস্ট প্রস্তুত করুন। এই পেস্টটি আপনার মুখে লাগান এবং বিশ মিনিটের জন্য রেখে দিন। এর পর হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাকটি সপ্তাহে দু’বার ব্যবহার করতে পারেন।

এটি কীভাবে সাহায্য করে?

অ্যালোভেরা জেল ত্বকের সমস্যা মোকাবেলায় খুব কার্যকর বলে বিবেচিত হয়। এটি প্রয়োজনীয় আর্দ্রতা দিয়ে ত্বককে তার প্রাকৃতিক আভা ধরে রাখতে সহায়তা করে।

আরো পড়ুনঃ টমেটোর ফেসপ্যাক – টমেটো দিয়ে ত্বক ফর্সা করার উপায়

৩. গ্রিন টি

উপাদান

  • এক চামচ গ্রিন টি বা গ্রিন টি ব্যাগ
  • এক কাপ জল
  • দুই চা চামচ ব্রাউন সুগার
  • এক চামচ দুধের ক্রিম

ব্যবহারের পদ্ধতি

গ্রিন টি পানিতে সিদ্ধ করুন এবং ফিল্টার করুন তারপরে এটি ঠান্ডা হতে দিন।ঠান্ডা হয়ে এলে সিদ্ধ গ্রিন টিতে ব্রাউন চিনি এবং ক্রিম দিন। এই মিশ্রণটি স্ক্রাবের মতো মুখে লাগান।মিনিট দশেক পর ঠান্ডা জলে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এই মিশ্রণটি সপ্তাহে এক বা দুবার প্রয়োগ করা যেতে পারে।

এটি কীভাবে সাহায্য করে?

গ্রিন টিতে প্রচুর পরিমাণে ফ্ল্যাভোনয়েড থাকে, যা ত্বকে কোলাজেন উৎপাদন করা যা ত্বককে মসৃণ করে।এটি ত্বককে উজ্জ্বল রাখে এবং অল্প বয়স্ক দেখায়।

৪. চুরি

উপাদান

  • এক কাপ ডাল বা ছোলা আটা
  • কাঁচা চাল এক চতুর্থাংশ কাপ
  • আট থেকে নয়টি বাদাম
  • হাফ কাপ ওটমিল
  • এক চিমটি হলুদ
  • জল বা গোলাপ জল

ব্যবহারের পদ্ধতি

মসুর ডাল, চাল এবং বাদাম আলাদা করে বা একসাথে পিষে গুঁড়ো করে নিন।এই গুঁড়োতে ওটমিল এবং হলুদ যোগ করুন।অবশেষে এই মিশ্রণটিতে জল বা গোলাপ জল যোগ করে একটি পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্টটি মুখে এবং গলায় লাগান। এটি হাতেও লাগানো যেতে পারে। পেস্ট শুকানোর পরে, জল দিয়ে ত্বক ধুয়ে ফেলুন। এই পেস্টটি দশ দিনে একবার প্রয়োগ করা যেতে পারে।

এটি কীভাবে সাহায্য করে?

ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ানোর জন্য কয়েক শতাব্দী ধরে ইউবুটানের ব্যবহার ব্যবহৃত হচ্ছে। এই পেস্টে থাকা মসুর ডাল, ভাত এবং ওটমিল আমাদের ত্বক থেকে ময়লা দূর করতে সহায়তা করে। এতে যুক্ত হলুদে অ্যান্টিসেপটিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা আমাদের ত্বকজনিত রোগ থেকে রক্ষা করে। ক্রিম প্রস্তুত করতে ব্যবহৃত বাদাম আমাদের ত্বকে প্রয়োজনীয় আর্দ্রতা দেয় এবং এর বর্ণকে উন্নত করে।

আরো জানুনঃ গরমের বিউটি টিপস – গরমকালে ত্বকের যত্ন

৫. নারকেল তেল

উপাদান

নারকেল তেল

ব্যবহারের পদ্ধতি

  • পুরো মুখ এবং ঘাড়ে কিছুটা নারকেল তেল লাগান।
  • রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে প্রতিদিন এই রেসিপিটি ব্যবহার করে দেখুন।

এটি কীভাবে সাহায্য করে?

শুকনো ত্বকের জন্য এই রেসিপিটি বেশি উপকারী। আসলে নারকেল তেল আমাদের ত্বকে আর্দ্রতার প্রয়োজনীয় স্তর বজায় রাখতে সহায়তা করে। এই তেলে উপস্থিত ফেনলিক যৌগটি এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্যগুলিকে আরও কার্যকর করে তোলে।

৬. টমেটো

উপাদান

  • অর্ধ টমেটো
  • এক চামচ চন্দন কাঠের গুঁড়ো
  • এক চিমটি হলুদ

ব্যবহারের পদ্ধতি

টমেটো টুকরো থেকে বীজ সরান এবং তাদের পৃথক করুন।এরপর এক চামচ চন্দন কাঠের গুড়ো,এক চিমটি হলুদ একসাথে মিশিয়ে নিন। মিশানো শেষে এই পেস্টটি মুখে লাগান এবং পনের মিনিটের জন্য রেখে দিন এবং তারপরে পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এক বা দুই দিন বাদে এই পেস্টটি নিয়মিত প্রয়োগ করা যেতে পারে।

এটি কীভাবে সাহায্য করে?

টমেটোতে ভিটামিন সি বেশি থাকে, যা মুখের আভা বাড়িয়ে তুলতে সহায়তা করে।

আরোঃ নতুন বিউটি টিপস – ঘুমের আগে রাতের বিউটি টিপস

৭. হলুদ

উপাদান

  • আধা বা এক চা চামচ হলুদ
  • চার টেবিল চামচ ছোলার আটা
  • দুধ বা জল

ব্যবহারের পদ্ধতি

বেসন এবং হলুদের পেস্ট তৈরি করতে পানি বা দুধ ব্যবহার করুন।এই পেস্টটি মুখে এবং গলায় লাগান এবং এটি শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে যাওয়ার পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এই পেস্টটি সপ্তাহে এক বা দুবার ব্যবহার করা যেতে পারে।

এটি কীভাবে সাহায্য করে?

হলুদে কারকুমিন নামক একটি অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট পাওয়া যায় এবং এন্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্যও রয়েছে। এটি ত্বক থেকে ক্ষতিকারক পদার্থগুলি সরিয়ে দেয় এবং কোলাজেনের উৎপাদন বাড়িয়ে ত্বকের গ্লো বাড়িয়ে তোলে।

৮. বেকিং সোডা

উপাদান

  • বেকিং সোডা এক চামচ
  • এক চা চামচ জলপাই তেল (অতিরিক্ত ভার্জিন জলপাই তেল)
  • আধা চা চামচ মধু

ব্যবহারের পদ্ধতি

একটি পাত্রে বেকিং সোডা, জলপাই তেল এবং মধুর মিশ্রণ তৈরি করুন। এই মিশ্রণটি মুখে লাগান এবং দশ থেকে পনের মিনিট পর পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। আপনি এই মিশ্রণটি সপ্তাহে একবার ব্যবহার করতে পারেন।

এটি কীভাবে সাহায্য করে?

বেকিং সোডা পিএইচ ভারসাম্য ঠিক রেখে ত্বকের গ্লো বাড়িয়ে তুলতে সহায়তা করে।

আরো দেখুনঃ রাতের বিউটি টিপস – রাতে যে ৫টি বিউটি টিপস অবশ্যই পালনীয়

৯. দুধ

উপাদান

  • কাঁচা দুধ দুই থেকে চার চামচ
  • এক চামচ মধু
  • এক চামচ ছোলা আটা

ব্যবহারের পদ্ধতি

দুধ, বেসন এবং মধু মিশিয়ে একটি মিশ্রণ প্রস্তুত করুন। এই মিশ্রণটি মুখে লাগান এবং বিশ মিনিট রেখে দিন। মিশ্রণটি শুকিয়ে গেলে, পানি দিয়ে মুখটি ধুয়ে ফেলুন। এই পদ্ধতি সপ্তাহে এক বা দুবার ব্যবহার করা যেতে পারে।

এটি কীভাবে সাহায্য করে?

দুধে প্রোটিন, ভিটামিন এবং ক্যালসিয়াম জাতীয় পুষ্টি থাকে যা আমাদের ত্বককে স্বাস্থ্যকর রাখে।

১০. জাফরান

উপাদান

  • ছোট জাফরান
  • এক বা দুই চা চামচ মধু

ব্যবহারের পদ্ধতি

জাফরান কয়েক মিনিটের জন্য মধুতে ভিজিয়ে রাখুন। জাফরান-ভিজে গেলে মধুটি আপনার মুখ এবং গলায় দশ মিনিটের জন্য প্রয়োগ করুন। এর পর পানি দিয়ে ত্বক ধুয়ে ফেলুন। এই পদ্ধতি সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার ব্যবহার করা যেতে পারে।

এটি কীভাবে সাহায্য করে?

জাফরান ত্বকের আভা বাড়ানোর জন্য দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহার করা হচ্ছে। জাফরানের অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টগুলি আমাদের ত্বককে স্বাস্থ্যকর রাখে এবং এটি সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মি থেকে রক্ষা করে।

আরো বিউটি টিপসঃ তৈলাক্ত ত্বক থেকে মুক্তি পাওয়ার সহজ উপায়

১১. কলা

উপাদান

  • একটা পাকা কলা
  • দু-চার টেবিল চামচ দুধ
  • এক টুকরো বরফ

ব্যবহারের পদ্ধতি

দুধ ও কলা মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্টটি মুখে এবং গলায় লাগান এবং পনের মিনিটের জন্য রেখে দিন। এরপরে ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন

এটি কীভাবে সাহায্য করে?

কলাতে ভিটামিন, প্রোটিন, খনিজ এবং পটাসিয়াম জাতীয় অনেক পুষ্টি থাকে। এই সমস্ত পুষ্টি আমাদের ত্বককে স্বাস্থ্যকর রাখতে সহায়তা করে।

১২. লেবু

উপাদান

  • তিন থেকে চার চামচ লেবুর রস
  • দুই চা চামচ চিনি

ব্যবহারের পদ্ধতি

লেবুর রস এবং চিনি মিশিয়ে স্ক্রাব তৈরি করুন। এই স্ক্রাবটি পাঁচ থেকে দশ মিনিটের জন্য আলতো করে মুখে লাগান।অবশেষে হালকা গরম জলে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এই স্ক্রাবটি সপ্তাহে একবার ব্যবহার করা যেতে পারে।

এটি কীভাবে সাহায্য করে?

লেবু প্রাকৃতিক ব্লিচিং এজেন্ট হিসাবে কাজ করে। এটি মুখের ময়লা দূর করে এবং ত্বক পরিষ্কার করে। তবে এই স্ক্রাবটি খুব বেশি ব্যবহার না করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। আপনার ত্বক যদি সংবেদনশীল হয় তবে এই স্ক্রাবটি প্রয়োগ করার আগে অবশ্যই অ্যালার্জি পরীক্ষা করে দেখুন।

১৩. কমলা খোসা

উপাদান

  • দুই থেকে তিনটি কমলার খোসা
  • জল বা গোলাপ জল

ব্যবহারের পদ্ধতি

কমলার খোসা পিষে গুঁড়ো করে নিন।এই গুঁড়োতে জল বা গোলাপ জল যোগ করে একটি পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্টটি মুখে লাগান এবং শুকানোর পরে পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। এই পেস্টটি সপ্তাহে একবার ব্যবহার করা যেতে পারে।

এটি কীভাবে সাহায্য করে?

কমলার খোসার ভিটামিন-সি রয়েছে, এতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা ত্বকের জন্য উপকারী। কমলার খোসার তৈরি একটি পেস্ট প্রাকৃতিক ব্লিচ হিসাবেও কাজ করে। এটি ত্বকের ময়লা অপসারণ করে এটি পরিষ্কার এবং চকচকে করে তোলে।

১৪. গমের আটা

উপাদান

  • এক চামচ গমের আটা
  • দুই চা চামচ তিল তেল
  • এক চামচ হলুদ

ব্যবহারের পদ্ধতি

  1. একটি পাত্রে গমের আটা, তিলের তেল এবং হলুদ মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করুন।
  2. এই পেস্টটি মুখে লাগান এবং দশ মিনিট পর হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন।
  3. আপনাকে সপ্তাহে একবার এই পেস্টটি প্রয়োগ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

এটি কীভাবে সাহায্য করে?

গমের আটা মুখের ময়লা দূর করতে সহায়তা করে।

১৫. দই

উপাদান

  • আধ কাপ দই
  • এক বা দুই চামচ লেবু বা কমলার রস

ব্যবহারের পদ্ধতি

একটি পাত্রে দই নিন এবং এতে লেবু বা কমলার রস মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি মুখে লাগান এবং দশ থেকে পনের মিনিট পর হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন।

এটি কীভাবে সাহায্য করে?

দইতে কিছু প্রোবায়োটিক উপাদান রয়েছে, যা আমাদের ত্বককে সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মি থেকে রক্ষা করে। এই উপাদানগুলি ত্বকের দাগগুলি দূর করে এবং চকচকে করে তোলে।

১৬. পেঁপে

উপাদান

  • কয়েক টুকরো বেকড পেঁপে
  • এক বা দুই চামচ লেবুর রস

ব্যবহারের পদ্ধতি

পেঁপে টুকরো টুকরো করে এতে লেবুর রস দিন এবং পেস্ট তৈরি করে নিন। এই পেস্টটি মুখে ভালোভাবে লাগান।মিনিট দশেক পর পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে একবার বা দুবার এই পেস্টটি প্রয়োগ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

এটি কীভাবে সাহায্য করে?

পেঁপেতে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি রয়েছে। এই দুটি ভিটামিনই অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট হিসাবে কাজ করে। পেঁপে আমাদের ত্বকের ছিদ্রগুলি পরিষ্কার করে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়।

১৭. ডিম

উপাদান

  • একটি কাঁচা ডিম সাদা
  • অর্ধেক আলুর রস

ব্যবহারের পদ্ধতি

কাঁচা ডিম থেকে সাদা অংশ আলাদা করে নিন। সাদা অংশের সাথে আলুর রস মেশান এবং একই মিশ্রন তৈরি করে নিন। মিশ্রন শেষে মিশ্রণটি মুখে লাগান। মিশ্রণটি শুকিয়ে গেলে, পানি দিয়ে মুখটি ধুয়ে ফেলুন।

এটি কীভাবে সাহায্য করে?

ডিমের মধ্যে প্রোটিন এবং অন্যান্য অনেক পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়। এই পুষ্টিগুলি আমাদের ত্বককে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে।

১৮. অ্যাভোকাডো

উপাদান

  • এক চামচ চূর্ণ বা পিষ্ট অ্যাভোকাডো
  • ল্যাভেন্ডার তেলের তিন থেকে চার ফোঁটা

ব্যবহারের পদ্ধতি

অ্যাভোকাডো এবং ল্যাভেন্ডার তেল মিশিয়ে একটি মিশ্রণ প্রস্তুত করুন। এই মিশ্রণটি পনের থেকে বিশ মিনিটের জন্য মুখে লাগান। এর পর হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এই পদ্ধতিটি সপ্তাহে এক বা দুবার ব্যবহার করা যেতে পারে।

এটি কীভাবে সাহায্য করে?

অ্যাভোকাডোতে প্রচুর পুষ্টি উপাদান যেমন ভিটামিন-এ, ভিটামিন-সি, ভিটামিন-ডি, ভিটামিন-ই এবং খনিজ থাকে। এই সমস্ত পুষ্টি ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হিসাবে বিবেচিত হয়।

১৯. স্ট্রবেরি

উপাদান

  • একটি বা দুটি স্ট্রবেরি
  • এক চামচ চকোলেট বা কোকো পাউডার
  • এক চামচ মধু

ব্যবহারের পদ্ধতি

স্ট্রবেরি, চকোলেট পাউডার এবং মধু মিশিয়ে একটি ঘন পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্টটি মুখে লাগান পনের মিনিট পর হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

এটি কীভাবে সাহায্য করে?

স্ট্রবেরি আমাদের ত্বকে প্রয়োজনীয় স্তরের আর্দ্রতা বজায় রাখতে সহায়তা করে।

২০. আখরোট

উপাদান

  • তিন থেকে চারটি আখরোট
  • ওটমিল দুই টেবিল চামচ
  • এক চামচ মধু
  • এক চামচ ক্রিম
  • চার ফোঁটা জলপাই তেল

ব্যবহারের পদ্ধতি

সমস্ত উপাদান মিশ্রণ করে একটি ঘন পেস্ট প্রস্তুত করুন।এই পেস্টটি মুখে লাগান এবং কিছুক্ষণ পর হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন।

এটি কীভাবে সাহায্য করে?

আখরোটের পুষ্টিগুণ ত্বকের শুষ্কতা দূর করে এবং চকচকে করে তোলে। এই পেস্টের পরিবর্তে আখরোটের তেলও ত্বকে লাগানো যেতে পারে।

২১. গ্লিসারিন

উপাদান

  • অর্ধ বা এক চা চামচ গ্লিসারিন
  • এক চিমটি হলুদা
  • এক চামচ মধু

ব্যবহারের পদ্ধতি

মধুর সাথে গ্লিসারিন এবং হলুদ মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করুন।এই পেস্টটি মুখে লাগান এবং শুকানোর পরে পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন।এই পদ্ধতি সপ্তাহে একবার ব্যবহার করা যেতে পারে।

এটি কীভাবে সাহায্য করে?

গ্লিসারিন আমাদের ত্বককে হাইড্রেট করে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়।

Check Also

ত্বক ফর্সা করার উপায়

ত্বক ফর্সা করার উপায় – ত্বক ফর্সা করার ঘরোয়া উপায়

ত্বক ফর্সা করার উপায় – ত্বক ফর্সা করার ঘরোয়া উপায় – সূর্য এবং ধূলিকণার দূষণের …

Leave a Reply